রেমিট্যান্স বাংলাদেশের পরিবার, বৈদেশিক মুদ্রা, ভোগব্যয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। World Bank-এর ডেটায় 2025 সালে বাংলাদেশে personal remittances received প্রায় 33.88 বিলিয়ন ডলার, যা 2024 সালের প্রায় 27.52 বিলিয়ন ডলারের তুলনায় বড় বৃদ্ধি।
BSS-এর BMET-ভিত্তিক রিপোর্ট অনুযায়ী 2025 সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত 1,011,882 বাংলাদেশি বিদেশে কর্মসংস্থানে গেছেন। একই রিপোর্টে 2004 সাল থেকে 14,461,546 বাংলাদেশির বিদেশে কর্মসংস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স একসঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বিশাল প্রবাসী ভিত্তি তৈরি করেছে।
কিন্তু রেমিট্যান্সের বড় অংশ যদি শুধু দৈনন্দিন ব্যয়, জমি বা অনুৎপাদনশীল সম্পদে আটকে থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প, কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনে তার প্রভাব সীমিত থাকে। প্রয়োজন নিরাপদ ও স্বচ্ছ প্রবাসী বিনিয়োগ পণ্য, ছোট উদ্যোগে co-investment, diaspora bond, skills fund এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে জবাবদিহিমূলক অংশীদারিত্ব।
জার্মানি প্রবাসীরা এখানে আলাদা মূল্য যোগ করতে পারেন। জার্মানির নিয়মভিত্তিক কাজ, অডিট, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, apprenticeship, green technology এবং SME ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ছোট-মাঝারি উদ্যোগে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
স্লোগান হওয়া উচিত: শুধু টাকা পাঠাবো না, প্রতিষ্ঠান গড়বো। প্রবাসী অর্থ যদি দক্ষতা, প্রযুক্তি, বাজার-সংযোগ ও নৈতিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের পরবর্তী উন্নয়ন-ধাপের শক্তিশালী ইঞ্জিন হতে পারে।
