মাত্র সাত দিনের সংবাদ। গুলিস্তানের রাস্তা, খিলগাঁওয়ের খাল, লালবাগের বাসা, যাত্রাবাড়ীর সড়ক, আদাবরের খালপাড়, শাহবাগের ফুটপাত ও ঢাকা মেডিকেলের অপেক্ষাগার—এসব স্থান থেকে অন্তত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়েছে ৭ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। একই তালিকায় আছে খণ্ডিত মরদেহ, ছুরিকাঘাতের চিহ্ন, হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়া দেহ; আবার আছে এমন মৃত্যুও, যেগুলোকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে অসুস্থতা বা স্বাভাবিক কারণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে।
তাই প্রথমেই সীমাটি স্পষ্ট করা জরুরি: ১১টি মরদেহ উদ্ধার মানে ১১টি হত্যাকাণ্ড নয়। এই সংখ্যাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পৃথক ঘটনার সম্পাদকীয় সংকলন; এটি ঢাকা মহানগর পুলিশের আনুষ্ঠানিক সাপ্তাহিক অপরাধপরিসংখ্যানও নয়। কিন্তু এই সতর্কতা উদ্বেগকে ছোট করে না। বরং সঠিক প্রশ্নটি সামনে আনে—কতটি মৃত্যু হত্যাজনিত, কতটির কারণ ময়নাতদন্তে নিশ্চিত হলো, কতজনের পরিচয় পাওয়া গেল এবং কতটি মামলায় তদন্ত এগোল?
সাত দিনের ঘটনাগুলো কী বলছে
৭ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্ক এলাকা থেকে আনুমানিক ৬৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়; হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ অসুস্থতাজনিত মৃত্যুর প্রাথমিক ধারণা দিলেও ময়নাতদন্তের ফলের কথা বলেছে। এখানেই একটি মানবিক প্রশ্ন আছে: পরিচয়হীন ও বাস্তুহীন মানুষের মৃত্যু কি কেবল মর্গের একটি নম্বর হয়ে থাকবে, নাকি পরিচয় শনাক্ত ও পরিবার খোঁজার ফলও প্রকাশ হবে?
৯ সেপ্টেম্বর খিলগাঁওয়ের জিরানি খাল থেকে জজ মিয়ার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কথা এসেছে। পরে একজন গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ ও আদালতসূত্র জানায়। একই দিনে লালবাগে তৌহিদা হোসেন তিশার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনেরা হত্যার অভিযোগ করেন, আর পুলিশ আত্মহত্যার প্রাথমিক ধারণা দেয়। গেন্ডারিয়ায় ১০ বছরের তানভীর হোসেনের মৃত্যুতেও পরিবার ও পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য এক ছিল না। দুটি ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হওয়া উচিত ময়নাতদন্ত, আলামত ও নিরপেক্ষ তদন্ত—অনুমান নয়।
১১ সেপ্টেম্বর লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ী শেখ ওয়াসিম রনির হাত-পা বাঁধা মরদেহ একটি ভবনের নিচে মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যার পর মরদেহ লুকানো হয়েছিল; গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিনে যাত্রাবাড়ীর কাজলা-ছনটেক এলাকায় রাব্বী নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে; তার শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্নের কথা জানানো হয় এবং ঘটনাটি তদন্তাধীন ছিল।
১২ সেপ্টেম্বরের চিত্র আরও অস্বস্তিকর। আদাবরের একটি খালের পাশ থেকে ব্যাগে রাখা এক অজ্ঞাত নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লালবাগের ভাড়া বাসায় আইনজীবী আনোয়ার হোসেনের অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়; পুলিশ স্ট্রোকের সম্ভাবনার কথা বললেও ময়নাতদন্ত ছাড়া কারণ নিশ্চিত করেনি। শাহবাগে জাতীয় ঈদগাহসংলগ্ন দুটি ফুটপাত থেকে দুই অজ্ঞাত পুরুষের মরদেহ এবং ঢাকা মেডিকেলের অপেক্ষাগারের পাশে আরেক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়। এসব ঘটনার কয়েকটিতে অসুস্থতাজনিত মৃত্যুর প্রাথমিক ধারণা ছিল।
এক সপ্তাহের সংবাদ দিয়ে অপরাধের হার মাপা যায় না
একটি সপ্তাহে কতটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে—এই সংখ্যা মানুষের উদ্বেগ বোঝায়, কিন্তু একা দিয়ে অপরাধ বেড়েছে না কমেছে, তা প্রমাণ করা যায় না। তার জন্য একই সংজ্ঞায় দীর্ঘ সময়ের তথ্য দরকার: ঘটনার তারিখ, মামলা নথিভুক্তির তারিখ, মৃত্যু ও হত্যা মামলার পার্থক্য, তদন্তের ফল এবং আগের বছরের তুলনা। সংবাদে বেশি প্রতিবেদন হওয়া বা মামলা বেশি নথিভুক্ত হওয়াও সংখ্যাকে প্রভাবিত করতে পারে।
তবু এই সংবাদ-নমুনা তিনটি আলাদা ব্যর্থতার ঝুঁকি দেখায়। প্রথমত, সহিংস অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ। দ্বিতীয়ত, হত্যার পর দ্রুত আলামত সংগ্রহ, অভিযুক্ত শনাক্ত এবং আদালতে টেকসই তদন্ত। তৃতীয়ত, অজ্ঞাত ও বাস্তুহীন মানুষের পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা। জননিরাপত্তা শুধু খুনি গ্রেপ্তারের প্রশ্ন নয়; একজন মানুষ যেন রাস্তা বা অপেক্ষাগারে পরিচয়হীনভাবে মারা না যান, সেটিও রাষ্ট্রের দায়।
বড় হিসাবটি আরও কঠিন প্রশ্ন তোলে
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ, এপ্রিল ও মে—এই তিন মাসে দেশে ৯১৫টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়: মার্চে ৩১৭, এপ্রিলে ২৮৮ এবং মে মাসে ৩১০। একই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের একই সময়ে নথিভুক্ত ৯৯৩ মামলার মধ্যে ২২৬টি আগের ঘটনার মামলা হওয়ায় তুলনাযোগ্য সংখ্যা ৭৬৭ বলা হয়েছে; ২০২৪ সালের একই সময়ের সংখ্যা ছিল ৭৯৪। সেই হিসাবে ২০২৬-এর ৯১৫ মামলা তুলনাযোগ্য ২০২৫ সংখ্যার চেয়ে প্রায় ১৯ শতাংশ এবং ২০২৪-এর চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি।
এখানেও ভাষা ঠিক রাখা জরুরি। ৯১৫টি হত্যা মামলা মানেই ওই তিন মাসে ঠিক ৯১৫ জন নিহত হয়েছেন—এমন নয়। একটি মামলায় একাধিক ভুক্তভোগী থাকতে পারে, আবার আগের ঘটনার মামলা পরে নথিভুক্ত হতে পারে। কিন্তু মামলা-গণনার সীমাবদ্ধতা দেখিয়ে ধারাবাহিক সহিংসতার উদ্বেগ উড়িয়ে দেওয়াও চলে না। সরকারের উচিত ঘটনাভিত্তিক ও মামলা-ভিত্তিক তথ্য আলাদা করে প্রকাশ করা, যাতে রাজনৈতিক পক্ষগুলো নিজেদের সুবিধামতো একই সংখ্যার ভিন্ন অর্থ দাঁড় করাতে না পারে।
এলাকাভিত্তিক হিসাবেও চাপ স্পষ্ট ছিল। মার্চ–মে সময়ে ঢাকা রেঞ্জে ২০৭, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১৮৬, রাজশাহী রেঞ্জে ১০৬ এবং খুলনা রেঞ্জে ৮৪টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মহানগরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ছিল ৫৭টি। এসব সংখ্যা কোথায় টহল, তদন্তকারী, ফরেনসিক সহায়তা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বেশি সম্পদ দরকার—সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তি হওয়া উচিত।
পুলিশের ব্যাখ্যাও শুনতে হবে
পুলিশ সদর দপ্তর জুনে বলেছিল, মার্চ–এপ্রিলের ৬০৫টি হত্যা মামলার বেশির ভাগই পূর্বশত্রুতা, পারিবারিক বিরোধ, সম্পত্তি ও আর্থিক দ্বন্দ্বসহ অরাজনৈতিক কারণে হয়েছে। তাদের যুক্তি, এই সংখ্যা গত দশকের বার্ষিক প্রবণতার বাইরে নয় এবং মামলা নথিভুক্তিতে বাড়তি স্বচ্ছতাও মোট বাড়াতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলায় উন্নতির দাবি করেন এবং তদন্ত, টহল ও ময়নাতদন্তে সম্পদ-ঘাটতির কথা স্বীকার করেন।
এই ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে: সব হত্যার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, এবং রাষ্ট্র প্রতিটি ব্যক্তিগত বিরোধ আগেভাগে জানতে পারে না। কিন্তু ‘ব্যক্তিগত’ বা ‘পারিবারিক’ কারণ রাষ্ট্রের দায় শেষ করে না। পাওনা টাকার বিরোধে মানুষ হত্যা, ঘরোয়া সহিংসতা, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা অপরাধীচক্র—সব ক্ষেত্রেই প্রতিরোধ, দ্রুত সাড়া, নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের সক্ষমতা সরকারের আইনশৃঙ্খলা নীতির পরীক্ষা।
কোন হিসাব প্রকাশ করলে মানুষ বিশ্বাস করবে
সরকারের সাফল্য শুধু অভিযান বা গ্রেপ্তারের মোট দিয়ে মাপা যাবে না। মানুষ জানতে চায়—কতটি সহিংস মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হলো, কতটিতে ফরেনসিক প্রতিবেদন এল, কতজন অভিযুক্ত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার হলো, কত মামলায় অভিযোগপত্র জমা পড়ল, কতজন অজ্ঞাত মৃতের পরিচয় জানা গেল এবং পরিবারকে জানানো হলো। এই ফল ছাড়া ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’ কথাটি যাচাইযোগ্য হয় না।
- ঢাকা মহানগর পুলিশ প্রতি সপ্তাহে থানা ও অপরাধের ধরনভিত্তিক একটি প্রকাশ্য সারণি দিক—মৃত্যু, হত্যা মামলা, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও পরে বদলে যাওয়া শ্রেণিবিন্যাস আলাদা করে।
- প্রতিটি অজ্ঞাত মরদেহের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ, নিখোঁজ ব্যক্তির তালিকা ও সিআইডি শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করে প্রকাশ করা হোক।
- হত্যা মামলার ৩০, ৬০ ও ৯০ দিনের তদন্ত-অগ্রগতি এবং অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় প্রকাশ করা হোক; শুধু গ্রেপ্তারের সংবাদে জবাবদিহি শেষ না হোক।
- অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধপ্রবণ এলাকা, পুনরাবৃত্ত অপরাধী ও টহলের ঘাটতি নিয়ে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনা এবং মাসিক ফল জানানো হোক।
- ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে জনবল, পরীক্ষাগার ও বাজেটের ঘাটতি কত—স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সেই হিসাব দিক।
‘বিচ্ছিন্ন’ বলে পাশ কাটানোর সময় নেই
৭–১৩ সেপ্টেম্বরের ১১টি মরদেহ উদ্ধারের সংবাদ একটি পূর্ণাঙ্গ অপরাধচিত্র নয়। এগুলোর সবগুলো হত্যাকাণ্ডও নয়। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে খণ্ডিত মরদেহ, ছুরিকাঘাত, খাল থেকে উদ্ধার এবং হত্যার পর মাটিচাপার মতো ঘটনাগুলো মানুষের নিরাপত্তাবোধে যে আঘাত করে, তা কোনো পরিসংখ্যানের টীকা দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
সরকার যদি বলে পরিস্থিতি উন্নত হচ্ছে, তবে সেই দাবির পক্ষে খোলা তথ্য দিক—কেবল মামলা কত হলো তা নয়, অপরাধ রোধ ও বিচার কতদূর এগোল তাও। আর যেখানে তথ্য অসম্পূর্ণ, সেখানে অসম্পূর্ণ বলুক। জননিরাপত্তা নিয়ে আস্থা তৈরি হয় স্পষ্ট হিসাব, দৃশ্যমান ফল এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের সমান মূল্য দিয়ে। রাজধানীর রাস্তায়, খালে বা অপেক্ষাগারে পড়ে থাকা কোনো মরদেহই যেন কেবল আরেকটি ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হয়ে হারিয়ে না যায়।
সম্পাদকীয় নোট: এই লেখার ১১ সংখ্যাটি ৭–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সময়সীমায় প্রকাশিত সংবাদপ্রতিবেদনের একটি ন্যূনতম সংকলন; একই সময়ের সব মৃত্যু বা অপরাধের সরকারি মোট নয়। প্রাথমিক পুলিশি ধারণা ও পরিবারের অভিযোগকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। ময়নাতদন্ত বা তদন্তে নতুন তথ্য এলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বর্ণনা সংশোধন করা উচিত।
তথ্যসূত্র
- বাংলাদেশ পুলিশ: ২০২৬ সালের মাসভিত্তিক সরকারি অপরাধ পরিসংখ্যানের তালিকা
- দ্য ডেইলি স্টার: মার্চ–মে ২০২৬-এ ৯১৫ হত্যা মামলা ও এলাকাভিত্তিক হিসাব, ১৬ জুন ২০২৬
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড: হত্যা মামলার সংখ্যা নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ব্যাখ্যা, ৮ জুন ২০২৬
- দ্য ডেইলি স্টার: আদাবরের খাল থেকে অজ্ঞাত নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- bdnews24.com: খিলগাঁওয়ের জিরানি খালের মরদেহ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- bdnews24.com: লালবাগে ব্যবসায়ীর মাটিচাপা মরদেহ ও গ্রেপ্তার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- bdnews24.com: তৌহিদা হোসেন তিশার মৃত্যুতে পরিবার ও পুলিশের ভিন্ন প্রাথমিক বক্তব্য, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- সমকাল: গেন্ডারিয়ায় শিশু তানভীর হোসেনের মরদেহ উদ্ধার ও তদন্ত, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- bdnews24.com: জাতীয় ঈদগাহ এলাকার ফুটপাত থেকে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- bdnews24.com: লালবাগের বাসা থেকে আইনজীবী আনোয়ার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- জাগো নিউজ: গুলিস্তানে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- জাগো নিউজ: যাত্রাবাড়ীর ছনটেকে রাব্বীর ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর প্রতিবেদন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- এশিয়া পোস্ট: ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে পাঁচ মরদেহ উদ্ধারের সংকলিত প্রতিবেদন
